সীতাকুণ্ডে জায়গা দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
Giri Shaikat Desk
লিখিত বক্তব্যে মরিয়ম বেগম জানান, তার স্বামী আ.ন.ম. আলমগীর যিনি কুমিরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার এবং ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করছেন। তার পৈত্রিক এবং খরিদকৃত জমিতে দীর্ঘ সময় ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী মো. হোসাইন, আমির হোসেন ও নুরুল আলমসহ একদল দুষ্কৃতকারী দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি দখলের পায়তারা করে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১১টার সময় অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ৫/৬ জন সন্ত্রাসী নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে মরিয়ম বেগমের স্বামী আলমগীর এবং তার ছেলে মোর্শেদকে গুরুতর আহত করে। সন্ত্রাসীরা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেয়।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ভর্তি করে। বর্তমানে আলমগীর ও তার ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মরিয়ম বেগম জানান, সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এই ঘটনায় মামলা হলে মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযুক্ত বাদশা ও বাপ্পী নামক দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে মূল হোতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় পরিবারটি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে
সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মরিয়ম বেগম সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে এই অপরাধীদের কঠোর শাস্তি, জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্হিত ছিলেন ক্ষতিগ্রহস্হ জায়গার মারিক মরিয়ম বেগম,স্হানীয় বিএনপি নেতা মোঃ সামছুদ্দোহা,গাজী নিজাম উদ্দিন,জানে আরম,ওমর ফারুখ,মনোয়ারা বেগম,হাছিনা বেগম,কোহিনুর বেগম সহ শতাধিক এলাকাবাসি নারী পুরুষ উপস্হিত থেকে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিচার দাবী করেন।