মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগে সম্মানহানির চেষ্টা, সংবাদ সম্মেলন।

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি।
সীতাকুণ্ডে স্থপতি ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট-এর স্বত্বাধিকারী ইঞ্জিনিয়ার কামরুদ্দোজার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর অপপ্রচারে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। শনিবার বিকেল ৪টায় সীতাকুন্ড প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
ইঞ্জিনিয়ার কামরুদ্দোজা তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর ধরে সীতাকুণ্ড, মীরসরাই ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের নকশা প্রণয়ন ও অনুমোদন সংক্রান্ত পেশাগত দায়িত্ব সততা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি সীতাকুণ্ড-মীরসরাই আর্কিটেক্ট অ্যান্ড সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “জাল সিল-স্বাক্ষরে ভবনের নকশা তৈরির অভিযোগ” শিরোনামে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিবেদনে কোনো নির্দিষ্ট ভবনের নকশা, তারিখ কিংবা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালের ভবন ও ইমারত নির্মাণ আইন এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুসরণ করেই তার প্রতিষ্ঠান সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রকাশিত সংবাদে যেসব অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এমনকি একটি নকশায় স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজেই অভিযোগটি অসত্য বলে জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র এখনও তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
প্রকৌশলী কামরুদ্দৌজা বলেন, “যদি আমি কখনও জাল স্বাক্ষর বা অনিয়মের মাধ্যমে কাজ করতাম, তাহলে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আমার প্রতিষ্ঠান বহু আগেই অস্তিত্ব হারাতো। একটি বিশেষ মহল পরিকল্পিতভাবে আমার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে ইনশাআল্লাহ।”
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি তার প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত মর্যাদা রক্ষায় সঠিক তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য সীতাকুণ্ডে কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসাইন, খুরশিদ আলম, আরিফ হোসেন, গোলাম সরওয়ার, মোহাম্মদ মোরশেদ, আর্কিটেক্ট মুজাহিদুল ইসলাম, মোসলিম উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন সোহেল, ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেন, ধ্রুব কুমার, মাজাহারুল ইসলাম, আর্কিটেক্ট রবিউল ইসলাম হেলাল, ইঞ্জিনিয়ার সামিউল করিম, তরুণ মজুমদার, মাসুদ হৃদয়, ইমন কান্তি দাশ, শরিফ হোসেন, কামরুল হাসান, রাজ্জাকুল হায়দার, আমিনুল ইসলাম শাহীন, ইঞ্জিনিয়ার আবু জাফর, মাহিন হাসান তন্ময় এবং উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।