সীতাকুÐে ঈদ বাজারে উপচেপড়া ভীড়

Giri Shaikat Desk
সীতাকুÐে রমজানের ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন মার্কেটের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লেগেই আছে। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পৌর সদরের বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে নারী-পূরুষের উপছে পড়া ভিড় দেখা যায়। এতে বিক্রয় বেড়ে যাওয়ায় বিক্রেতারাও খুশি। ক্রেতারা ভীড়ের মধ্যে একদিনে সব কিছু ক্রয় করতে পারছেনা আবার একদিন আসতে হবে বলে কেউ কেউ অস্বস্তি প্রকাশ করলেও কেউ কেউ ভীড় ঠেলে পছন্দেও ঈদের কেনাকাটা শেষ করে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। উপচে পড়া ভীড়ে নারীর সংখ্যাই বেশী লক্ষ্যনীয়।
সরেজমিনে শুক্রবার রাতে এবং শনিবার সকালে সীতাকুÐ পৌরসদরের নাহার প্লাজা, মরিয়ম প্লাজা, ন্যাশনাল মার্কেট, বদিউল আলম নিউ মার্কেট, সিকিউর সিটি, ওসমান গনি শপিং কমপ্লেক্সের বিভিন্ন দোকান ও ক্লাসিক, বিগ মার্ট ঘুরে দেখা যায় প্রতিটি মার্কেটের দোকানগুলি ক্রেতায় ভরপুর। রোকেয়া বেগম নামক এক (শিক্ষক) ক্রেতা জানান, শাড়ি থ্রি-পিছের দোকানদাররা পণ্যের বিক্রয় মুল্যের চেয়ে তিনগুন দাম চাচ্ছেন, মেয়ের জন্য এই থ্রি-পিছটা কিনেছি ১৭’শ টাকায়, এটার দাম দিয়েছিলেন ৫হাজার টাকা। যারা দরকষাকষি করে না বা বিক্রেতার ট্রিক্স বুঝে না তারা ঠকছেন। এই ক্ষেত্রে যেসব ক্রেতা দরকষাকষি পছন্দ করেনা তারা ক্লাসিক, বিগমাট, চৌধুরী গার্মেন্টস নামক দোকান গুলিতে (প্রিক্স প্রাইজ) ভীড় করতে দেখা যায়। বেচা বিক্রি ও অতিরিক্ত দাম প্রসঙ্গে ন্যাশনাল মার্কেটের চৌধুরী গার্মেন্টর স্বত্বাধিকারী মাসুদ চৌধুরী জানান, আমাদের বেচা-বিক্রি আগের চাইতে দ্বিগুন বেড়েছে আমরা একদামে (স্বল্প লাভে) পণ্য বিক্রয় করে থাকি, দাম অতিরিক্ত রাখার প্রশ্নই উঠেনা।
সীতাকুÐ পৌর সদর ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাহার জানান, সীতাকুÐ পৌর সদরে ছোট বড় ৩৫টি মার্কেট আছে, দোকান সংখ্যা ১৭৮০টি। মার্কেট গুলাতে বেশীরভাগ দোকান শাড়ি কসমেটিকের। এইসব দোকানে মাহে রমজানের ১০ রোজা হতে ভীড় লেগে আছে, ঐ সময়ে মার্কেটগুলি রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকত, বর্তমানে উপচে পড়া ভীড়ের কারণে সেহেরি পর্যন্ত (রাত ৪টা) খোলা থাকে। ক্রেতা বিক্রেতার সুবিধার্থে তথা নিরাপত্তায় প্রতিবারের মত এবারেও আমরা প্রশাসনের সহযোগীতায় পর্যাপ্ত পরিমান টহল পুলিশের ব্যবস্থা করেছি এবং সড়ক যানজট মুক্ত রাখার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ লাইনম্যান নিয়োগ দিয়েছি।
সীতাকুÐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, ঈদ বাজারের শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করে চলছি এবং চুরি ছিনতাই দমনে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছি। সবাই নিরাপদে ঈদের কেনাকেটা করে ফিরে যাবেন এই প্রত্যাশা করছি।