Uncategorized

সীতাকুন্ডে প্রকাশ্যে হত্যাকান্ডের প্রধান আসামিসহ ৬ জন গ্রেপ্তার, এলজি, রিভলভার ও পিস্তল উদ্ধার

Giri Shaikat Desk

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে  হত্যাকান্ডের ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে  প্রধান আসামি মো. আরিফ হোসেনসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি এলজি, একটি রিভলভার ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হযে়ছে।গ্রেপ্তারকৃতর মো. আরিফ হোসেন (২৯), পিতা: ইসমাইল হোসেন প্রকাশ বিকষু, সাং মধ্যম মাহমুদাবাদ, দিঘীর নালা, ফকির আহম্মদের নতুন বাডি়, বাড়বকুণ্ড। ফখরুল ইসলাম (৩২), পিতা: মৃত নুর আলম, সাং অলিনগর, চৌকিদার বাডি়, বাড়বকুণ্ড।  আব্দুল মান্নান (২৮), পিতা: আবুল কাশেম, সাং নডালিয়া, বাড়বকুণ্ড।  মো. ইফতেখার (৩৫), পিতা মো. মোজ্জামেল হক, সাং অলিনগর, নতুন বদু বাডি়, বাড়বকুণ্ড।  আরিফুল ইসলাম জাবেদ (২৫), পিতা মো. নজরুল ইসলাম, সাং হাসনাবাদ, জিয়াজি হুজরের বাডি়, মুরাদপুর। নুর আহাম্মদ রনি, পিতা—মৃত জহির ইসলাম, সাং—মধ্যম মাহমুদ বাদ, দীঘির নামা, বারবকুন্ড, সীতাকুন্ড।চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পরপরই চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে। ঘটনাস্থলের তথ্য—উপাত্ত জিজ্ঞাসাবাদ এবং ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মো. আরিফ হোসেনসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি এলজি, একটি রিভলভার ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তারেক হোসেন বাপ্পির সঙ্গে প্রধান অভিযুক্ত  মো. আরিফ হোসেন ও তাঁর সহযোগীদের এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। পূর্ববিরোধের জেরে বাপ্পিকে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের পথে বাধা মনে করে অভিযুক্তরা তাঁর ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিযে় তাঁরা আগে থেকেই ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন এবং বাপ্পির মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুডে় হত্যা করা হয়। একই সমযে় বাপ্পিকে উদ্ধারে এগিযে় আসা শাওনও তাঁদের সশস্ত্র হামলার শিকার হন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button